Select Page

অন পেজ অপটিমাইজেশন

এসইওটাইটেল ট্যাগ টিউটোরিয়াল:

এটা  খুবই গুরত্বপূর্ন একটা ওয়েব পেজের জন্য। ইউজার এবং সার্চ ইন্জিন উভয়কে এটা বলে দেয় যে পেজের মধ্যে কি আছে অর্থ্যাৎ একটা টাইটেল একটা পেজের সরাংশ। আপনার পেজের টাইটেল হতে হবে এমন যাতে এটা আপনার সাইটের আর অন্য কোন পেজের টাইটেলের সাথে মিলে না যায় অর্থ্যাৎ unique এবং নির্ভূল। সার্চ রেজাল্ট যখন আমরা ব্রাউজারে দেখি তখন পেজ টাইটেল সবার আগে প্রথম লাইনে থাকে। যেমন ইউজার যে কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করবে সেই কিওয়ার্ডটি যদি সার্চ রেজাল্টে বোল্ড করে দেখায় তাও আবার পুরো পেজ টাইটেলটি, তাহলে আপনার সাইটের ট্রাফিক বহুগুন বেড়ে যাবে। পেজ টাইটেল সবসময় এমন দিবেন যেটার সাথে পেজের কনটেন্টের খুব মিল আছে। খুব বড় টাইটেল দেয়া উচিৎ নয় এতে অনেক অপ্রয়োজনীয় শব্দ টাইটেলে চলে আসে আর খুব বড় টাইটেল হলে গুগল এর সম্পূর্ন নয় বরং কিছু অংশ দেখায়।সবচেয়ে ভাল আপনার পেজ টাইটেল হবে ছোট,প্রাসঙ্গিক এবং তথ্যবহুল।

এসইওমেটা ট্যাগ টিউটোরিয়াল:

মেটা  (<meta>) ট্যাগ এর “description” এ পেজে কি আছে তা সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখুন। এটা গুগল এবং সকল সার্চ ইন্জিনকে একটা ধারনা দেয় যে এই পেজে কি আছে। এই বর্ননা ২/৩ লাইনের দিতে পারেন। মেটা বর্ননাকে গুগল আপনার ওই পেজটার কনটেন্টের সরাংশ হিসেবে ধরতে পারে। ধরতে পারে এজন্য বলা হয়েছে কারন ইউজার যে কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করবে সেটার সাথে যদি সরাসরি পেজ কনটেন্টের কোন অংশের সাথে বেশি মিলে যায় তাহলে সেই অংশ গুগল সার্চ রেজাল্টে দেখাতে পারে। ইউজারের দেয়া কিওয়ার্ড যদি এই সরাংশে (মেটা বর্ননায়) থাকে তাহলে সেটা বোল্ড করে দেখাবে। এমনভাবে মেটা বর্ননা দিন যাতে যেটা ইউজার সার্চ রেজাল্টে দেখেই যেন মনে করে এই পেজেই আমার প্রয়োজনীয় তথ্য থাকতে পারে। পেজের কনটেন্টের কোন অংশ আবার কপি করে মেটা বনর্নাতে পেস্ট করে দিয়েননা বরং পেজের কনটেন্টের উপর ছোটখাট একটা সারমর্ম লিখে দিন। প্রতিটি পেজের মেটা বর্ননা যেন ভিন্ন ভিন্ন হয় তানাহলে ইউজার বা সার্চ ইন্জিন যখন একসাথে বহু পেজ দেখবে তখন সমস্যা হবে। আপনার সাইটে যদি হাজার হাজার পেজ থাকে তাহলে প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা আলাদা মেটা বর্ননা তৈরী করা জটিল হয়ে পরবে সেক্ষেত্রে পেজের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে অটোমেটিক মেটা বর্ননা তৈরী হবে এধরনের টেকনিক অবলম্বন করতে হবে।

এসইওএনকর ট্যাগ টিউটোরিয়াল:

এনকর টেক্সট হচ্ছে একটা ক্লিকযোগ্য টেক্সট যেটা ইউজার দেখে।এখানে ইউজার ক্লিক করে একটা নতুন পেজে যেতে পারে।এটা এনকর ট্যাগের মধ্যে থাকে <a href=”/…”>এনকর টেক্সট</a> এই এনকর টেক্সট এমন দেয়া উচিৎ যেটা দেখে ইউজার এবং সার্চ ইন্জিন যেন বুঝতে পারে যে এই লিংকে ক্লিক করে যে পেজে যাব সেই পেজে কি ধরনের লেখা/আর্টিকেল/কনটেন্ট আছে। এনকর টেক্সট এমন দিবেননা যেটার সাথে লিংকড (ক্লিক করলে যে পেজে যাবে) পেজের কোন মিলই নেই।বরং এমন এনকর টেক্সট হওয়া ভাল যেটা  লিংকড পেজটির সরাংশ হয় অল্প কয়েকটি শব্দের মধ্যেই। একটা প্যারাগ্রাফ লিখে পুরোটার উপর লিংক দিয়ে দিলেন এটা ভালনা।লিংকগুলিকে সিএসএস দিয়ে রং একটু ভিন্ন দিন যাতে ইউজার সাধারন টেক্সট আর লিংক টেক্সটের মধ্যে পাথর্ক্য করতে পারে বা বুঝতে পারে যে এটা একটা লিংক।

এসইওছবি বা ইমেজ টিউটোরিয়াল:

আপনার সাইটে কোন ছবি দিলে অবশ্যই alt এট্রিবিউট ব্যবহার করে ছবি সম্পর্কিত বর্ননা দেবেন।কোন সময় যদি ছবি লোড না হয় বা দেরি হয় তখন alt এট্রিবিউটের লেখাটি ছবির জায়গায় দেখাবে। যখন ছবিকে লিংক হিসেবে ব্যবহার করেন তখন এই alt টেক্সট এনকর টেক্সটের কাজ করে। ছবির মাধ্যমে খুব বেশি লিংক দেয়া ভাল নয়,বরং যদি দিতেই হয় তাহলে alt এট্রিবিউট এ তার বর্ননা দিয়ে দেবেন এতে সার্চ ইন্জিন ওই ছবিকে পড়তে পারে। নিচের ছবিতে দেখুন ছবি আসতে দেরি হচ্ছে তাই ছবির জায়গায় একটা লেখা দেখাচ্ছে,এটা alt ট্যাগে লেখা ছিল। যেকোন ফাইল প্রাসঙ্গিক ডিরেক্টরিতে রাখুন যেমন ছবিগুলি images ডিরেক্টরি,অডিও audio ডিরেক্টরি এভাবে সবগুলি।ছবি ব্যবহারের সময় বহুল ব্যবহৃত ছবির ফরমেট ব্যবহার করুন যেমন .jpg,.gif,.BMP

এসইওহেডিং ট্যাগ টিউটোরিয়াল:

<h1></h1>,<h2></h2> আমরা জানি যে মোট ৬ টি হেডিং ট্যাগ আছে h1 থেকে h6 পর্যন্ত।এই ট্যাগের মধ্যেকার লেখাগুলি সাধারন লেখার চেয়ে একটু বড় করে দেখায়। আপনি যখন কোন আর্টিকেল লিখবেন তখন গুরত্বপূর্ন লেখাগুলিকে হেডিং ট্যাগের মধ্যে রাখুন। একটা আর্টিকেলে যদি ৪/৫ টি প্যারাগ্রাফ থাকে তাহলে প্রতিটি প্যারাগ্রাফের একটি করে শিরোনাম এই হেডিং ট্যাগের মধ্যে রাখতে পারেন,এতে করে ইউজার এবং সার্চ ইন্জিন ধারনা করতে পারে যে এই প্যারাগ্রাফে কি বিষয়ে লেখা আছে। এমন হেডিং দেয়া কখনই ঠিক হবেনা যার সাথে প্যারাগ্রাফটির কোন মিল নেই। হেডিং সংক্ষিপ্ত এবং প্রাসঙ্গিক হওয়া ভাল। পুরো একটা প্যারাগ্রাফকেই হেডিং ট্যাগের মধ্যে রাখা একটা বাজে কাজ। একটা পেজে খুব বেশি হেডিং ব্যবহার করাও ভাল নয়। ধরুন একটা পেজে ২০টি লাইন আছে তার মধ্যে ১০ টি লাইন কে হেডিং করে দিলেন,এধরনের অতিরিক্ত হেডিং দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

এসইওসাইটের গুনগত মান উন্নত রাখুন:

এতক্ষন যতকিছু আলোচনা করা হল এগুলি সবকিছুর চেয়ে এখন যেটা লিখব তা গুরত্বপূর্ন।আপনার সাইটকে রাখুন গুনগত মানসম্পন্ন যেমন কনটেন্ট বা যেকোন সার্ভিস সবার থেকে আলাদা,সৃজনশীল এবং উন্নত করুন।সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি সাইট তৈরী করবেন মানুষের জন্য যা হবে উপকারী,সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়। আপনার সাইটে যদি ভাল রিসোর্স/কনটেন্ট থাকে তাহলে কোন ইউজার একবার এই সাইটে ঢুকলে দেখবেন যে সে এই সাইট বুকমার্ক দিয়ে রাখবে সাথে অন্যকেও এই সাইটের খবর দিয়ে দিবে। যেমন w3schools সাইটের কথা যদি ধরেন তাহলে দেখবেন বাংলাদেশের এমন কোন ব্লগ, ফোরাম বা ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত সাইট নেই যেখানে এই সাইটের লিংক নেই্। কারন তাদের কনটেন্টগুলি ভাল এবং উন্নতমানের। এই যে এই সাইটের লিংক সব সাইটে আছে এটা কিন্তু w3schools থেকে কেউ এসে দিয়ে যায়নি,যারা দেয় তাদের কোন অর্থ এই সাইট থেকে দেয়না একমাত্র কারন তাদের গুনগত কনটেন্ট।তাছাড়া মুখে মুখেও ছড়ায়। কখনই অন্যের সাইট থেকে কিছু কপি করে নিজের সাইটে দিবেননা। বরং সবার আলাদা তবে উপভোগ্য এমনভাবে কনটেন্ট দিন। নতুন কোন সেবা বা আইডিয়া যদি পারেন তাহলে তা প্রয়োগ করতে পারেন। যেমন যদি নতুন কোন ফোরাম বা ব্লগ হয় তাহলে বেশি ইউজার রেজিস্টার করার জন্য প্রথম অবস্থায় এমন ঘোষনা দিতে পারেন, যে এই ব্লগ বা ফোরামে রেজিস্ট্রেশন করবে তাদের টি শার্ট উপহার দেয়া হবে বা কেউ যদি এই সাইটের লিংক ফেসবুক বা টুইটারে শেয়ার করে বা নিজ প্রোফাইলে লিংক দেয় তাহলে তার যতগুলি ফ্রেন্ড এড করা আছে তত টাকা মোবাইলে ফ্লেক্সি দেয়া হবে। সাইটের নামে ফেসবুকে পেজ খুলতে পারেন, এতে প্রচুর ট্রাফিক পাওয়া যায়। একজন এই পেজ লাইক করলে তার যত ফ্রেন্ড আছে সবাই এই খবর পেয়ে যায় এভাবে ছড়ায়। সুন্দর করে সাজিয়ে আর্টিকেল লিখুন, যেখানে শিরোনাম থাকবে আর যত পারেন প্যারা বেশি দিন এতে করে পড়ার ধের্য্য বাড়ে। আর্টিকেল বড় না করে ছোট ছোট রাখুন-লক্ষ্য করে দেখবেন w3schools বা আমরাও আর্টিকেল ছোট রাখার চেষ্টা করেছি। অপরদিকে tizag সাইটে দেখবেন অনেক ভাল জিনিস আছে কিন্তু আর্টিকেলগুলি এতই বড় যে সাইটে ঢুকতেই ইচ্ছা করেনা বরং পড়তে বিরক্ত লাগে। অথচ অনেক ক্ষেত্রে w3schools এর চেয়ে tizag এ বেশি তথ্য আছে তবু এই সাইটের নামই অনেকে জানেনা। লেখা একটু বড় রাখুন যেমন ইংরেজি সাইট হলে ১৩/১৪ ফন্ট আর বাংলা হলে ১৫/১৬,লেখা ছোট ছোট হলে ইউজার আর সাইটে ঢুকতে চায়না কারন পড়তে চোখ যেন বের করে নিয়ে আসতে হয়।